ক্রীড়া ডেস্ক:
বিশ্বকাপের অভিষেক মঞ্চেই ইতিহাস গড়েছে কেপ ভার্দে। আটলান্টায় শক্তিশালী স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন দলটির ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা। দুর্দান্ত সব সেভে স্পেনের আক্রমণ ভেস্তে দিয়ে দলের জন্য মূল্যবান এক পয়েন্ট নিশ্চিত করেন তিনি।
ম্যাচ শেষে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ভোজিনহা। দু’হাত দিয়ে মুখ ঢেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন কেপ ভার্দের এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক। পরে জানান, জীবনের সবচেয়ে বড় মুহূর্তে পাশে ছিলেন না তার মা। ভিসা জটিলতা ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে আনতে পারেননি তিনি। ভোজিনহা বলেন, “আমি কেঁদেছিলাম কারণ ছোটবেলায় দাদা-দাদির কাছে বড় হয়েছি। তারা আজ আর বেঁচে নেই। আমার মাও এখানে থাকতে পারেননি। সময়মতো প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।”
তার পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়েছেন ফুটবল বিশ্লেষকরাও। বিবিসির বিশ্লেষক প্যাট নেভিন ভোজিনহাকে ম্যাচের প্রকৃত নায়ক আখ্যা দিয়ে বলেন, ৪০ বছর বয়সে তার এমন পারফরম্যান্স অবিশ্বাস্য। সাবেক ইংলিশ ডিফেন্ডার লি ডিক্সনও জানান, ভোজিনহার আবেগঘন মুহূর্ত দেখে তার নিজেরও চোখে জল এসে গিয়েছিল। স্পেনের বিপক্ষে এই ড্র শুধু কেপ ভার্দের জন্য নয়, বিশ্বকাপ ইতিহাসেও স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
