আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন। বুধবার (২৯ এপ্রিল) হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির সামনে এ তথ্য তুলে ধরেন প্রতিরক্ষা দপ্তরের বাজেট কর্মকর্তা জে হার্স্ট। তিনি বলেন, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’তে ব্যয়ের বড় অংশই গেছে গোলাবারুদ খাতে, আর বাকিটা অপারেশন পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ব্যবহৃত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর এটিই প্রথমবারের মতো ব্যয়ের আনুষ্ঠানিক হিসাব প্রকাশ করা হলো।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ যুদ্ধের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করেননি। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সরাসরি সামরিক হামলা থেকে সরে এসে অর্থনৈতিক অবরোধে জোর দিয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।
অন্যদিকে, ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধের পাল্টা হিসেবে তেহরান হরমুজ প্রণালিতে কার্যত বাধা সৃষ্টি করেছে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য উদ্বেগজনক। পেন্টাগন জানিয়েছে, যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ ব্যয় নির্ধারণ শেষে হোয়াইট হাউস কংগ্রেসে অতিরিক্ত বাজেটের আবেদন জানাবে। তবে ভবিষ্যৎ ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।