নিজ সংবাদ:
কাঁচা পাট রপ্তানিতে সরকারি নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেই ১৮টি প্রতিষ্ঠানকে সীমিত আকারে রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এসব প্রতিষ্ঠান মোট ৬ হাজার ৩৭৭ টন কাঁচা পাট বিদেশে রপ্তানি করতে পারবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে গত বৃহস্পতিবার প্রধান আমদানি-রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রপ্তানির বড় অংশই যাবে ভারতে, যা বাংলাদেশের কাঁচা পাটের প্রধান আমদানিকারক।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সিদ্ধান্ত হয়, কাঁচা পাট রপ্তানির ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে সরকারি অনুমতি নিতে হবে। তবে অনুমতি পাওয়া ১৮টি প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে বিদেশি ক্রেতাদের কাছ থেকে টেলিগ্রাফিক ট্রান্সফার (টিটি) এর মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করেছিল। সেই বিবেচনায় তাদের জন্য বিশেষ এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানান, কাঁচা পাট রপ্তানিতে বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে এবং অনুমতি নিয়েই রপ্তানি করতে হবে। তিনি বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান আগে থেকেই অর্থ গ্রহণ করেছে, তাদের ক্ষেত্রেই এ ছাড় দেওয়া হয়েছে।
অনুমতি অনুযায়ী, নির্ধারিত পরিমাণের বেশি কোনো প্রতিষ্ঠান পাট রপ্তানি করতে পারবে না এবং চলতি বছরের অক্টোবরের মধ্যে সব রপ্তানি কার্যক্রম শেষ করতে হবে। বরাদ্দের দিক থেকে তাসফিয়া জুট ট্রেডিং সর্বোচ্চ ১,৭৪০ টন রপ্তানির সুযোগ পেয়েছে, আর সর্বনিম্ন ৬০ টন পেয়েছে গাজী জুট ইন্টারন্যাশনাল।
উল্লেখ্য, দেশীয় শিল্প সুরক্ষার দাবিতে বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশন ও জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশন কাঁচা পাট রপ্তানি বন্ধের আহ্বান জানালেও সরকার শর্তসাপেক্ষে রপ্তানির পথ খোলা রেখেছে।