শহীদ জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে কুষ্টিয়া পৌর ২নং ওয়ার্ডে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

শনিবার, জুন ১৩, ২০২৬

 

 

নিজ সংবাদ \ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানে ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (৮ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়া পৌর ২নং ওয়ার্ডের থানাপাড়া পুলিশ ক্লাব চত্বরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, কুষ্টিয়া চেম্বারের পরিচালক আক্তারুজ্জামান কাজল মাজমাদার আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম রিন্টু ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আল আমীন রানা কানাই ও সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মেজবাউর রহমান পিন্টু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিনসহ দলীয় অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আক্তারুজ্জামান কাজল মাজমাদার। সভায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর কর্মময় জীবন, স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর অবদান, রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকার ওপর বিস্তারিত আলোচনা করেন। জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির পথপ্রদর্শক ছিলেন। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় তাঁর অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। আক্তারুজ্জামান কাজল মাজমাদার বলেন, আজ আমরা গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে স্মরণ করছি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে। তাঁর ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে আমি তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করছি, আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। তিনি তার সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক, সাহসী সৈনিক এবং দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। দেশের ক্রান্তিকালে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি জাতিকে আশা ও প্রেরণার পথ দেখিয়েছেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশের অর্থনীতি, কৃষি, শিল্প, শিক্ষা এবং গ্রামীণ উন্নয়নে তাঁর গৃহীত পদক্ষেপ বাংলাদেশকে নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে নিয়েছিল। আজ তারই সুযোগ্য সন্তান দেশ নায়ক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের উন্নয়নে দিন রাত পরিশ্রম করে চলেছেন। দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি এই কুষ্টিয়ার উন্নয়নে সকলকে সম্মিলিত ভাবে কাজ করতে হবে। তাহলে একটি সুন্দর নগরী গড়ে তোলা সম্ভব। আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। পরে শান্তিপূর্ণভাবে তবারক বিতরণ সম্পন্ন করা হয়।