নিজ সংবাদ \ কুষ্টিয়া সদরের চৌড়হাস ফুলতলা এলাকায় এক ব্যক্তির জমিতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক শিক্ষিকা ও প্রধান শিক্ষকসহ চারজনের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী কাজী কাদের মোঃ ফজলে রাব্বি (৪৫) বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়া শহরের চৌড়হাস মৌজার আর এস ২৬০ নং খতিয়ানের ২৫৮৪ নং দাগের ১৪ শতক ক্রয়সুত্রর সম্পত্তির মালিক কুমারগাড়া (বিসিক) এলাকার মৃত কাজী ফজলুর রহমানের ছেলে কাজী কাদের মোঃ ফজলে রাব্বি। বেশ কয়েকদিন আগে থেকে তিনি উক্ত জমির দক্ষিণ পাশে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করেন। প্রাচীর নির্মাণ চলাকালীন ওই দিন বিকেল ৫টার দিকে বিবাদী কাঞ্চনপুর রাতুলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা শামিমা পারভিন (৪৫) এবং আব্দুল বারি (৬২) এসে কর্মরত রাজমিস্ত্রি মোঃ সুজন শেখকে কাজ বন্ধ করার জন্য হুমকি দেন এবং প্রাচীর ভেঙে ফেলার হুঁশিয়ারি দেন। এরই ধারাবাহিকতায়, পরদিন ৪ জুন ভোর আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে বিবাদী শামিমা পারভীন, আব্দুল বারি, ক্ষুদ্র আইলচারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুল ইসলাম (৫২) এবং সাফি (২৩) দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র, বাঁশ, কাঠের বাটাম ও হাতুড়ি নিয়ে উক্ত জমিতে অনধিকার প্রবেশ করেন। তারা জোরপূর্বক নবনির্মিত সীমানা প্রাচীরটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেন। ঘটনার সময় শোরগোল শুনে স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ সুজন শেখ, মোঃ কামরুজ্জামান রাজন ও মোঃ খিদিরসহ আশেপাশের লোকজন ছুটে আসলে বিবাদীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর ভুক্তভোগী জমির প্রকৃত মালিক কাজী কাদের মোঃ ফজলে রাব্বি নিরুপায় হয়ে ৪ জুন কুষ্টিয়া মডেল থানায় হাজির হয়ে ৪ জনকে বিবাদী করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন। অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা কুষ্টিয়া মডেল থানার এসআই আব্দুল আলীম ঘটনার সতত্যা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, জমি দখল ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। দ্রুতই ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
