আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সাম্প্রতিক সংঘাতে প্রাণ হারানো চার মার্কিন সেনার নাম মূল হতাহতের তালিকা থেকে সরিয়ে আলাদা একটি নতুন বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ। এ ঘটনায় হতাহতের তথ্য উপস্থাপন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ডিফেন্স ক্যাজুয়ালটি অ্যানালিসিস সিস্টেম (ডিসিএএস) ওয়েবসাইটে নিহত সেনার সংখ্যা ১৮ থেকে কমিয়ে ১৪ দেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে রোববার (২৬ জুলাই) ‘ওভারসিজ অপারেশন্স’ নামে নতুন একটি বিভাগ যুক্ত করা হয়। সেখানে ১৭ ও ১৮ জুলাই জর্ডান ও ইরাকে নিহত চার মার্কিন সেনার নাম এবং সংঘাতে আহত ২০৭ জনের তথ্য সংযোজন করা হয়েছে।
তবে নিহতের সংখ্যা পরিবর্তনের বিষয়টি তথ্য গোপনের চেষ্টা নয় বলে দাবি করেছে পেন্টাগন। সংস্থাটির প্রেস সেক্রেটারি জোয়েল ভালদেস এবং প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল বলেন, এটি কেবল উপাত্ত ব্যবস্থাপনার একটি সাময়িক কারিগরি ত্রুটি বা বিভ্রাটের ফল। যদিও বিষয়টি নিয়ে পরে হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগনের পক্ষ থেকে আর কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডও এ-সংক্রান্ত সব প্রশ্ন পেন্টাগনের কাছে পাঠিয়েছে।
এর আগে হরমুজ প্রণালি পুনর্দখল ও নৌপথ নিরাপদ রাখার অভিযানের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে সংঘাতে মোট ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার তথ্য উল্লেখ করেছিলেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জুনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে ৭ জুলাই সংঘাত পুনরায় শুরু হওয়ার পর থেকে পেন্টাগন যুদ্ধ পরিস্থিতি, সামরিক কৌশল এবং হতাহতের তথ্য প্রকাশে তুলনামূলকভাবে সংযত অবস্থান নিয়েছে, যা স্বচ্ছতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
