স্পিকারের রেফারেন্স পেলেই গাজী নজরুলের বিষয়ে ব্যবস্থা: ইসি

মঙ্গলবার, জুলা ২৮, ২০২৬

নিজ সংবাদ:

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, শুধু কোনো রাজনৈতিক দলের চিঠির ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। জাতীয় সংসদের স্পিকারের রেফারেন্স বা আনুষ্ঠানিক চিঠি পাওয়া গেলে আইন ও সংবিধান পর্যালোচনা করে গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, দলের চিঠির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া বিতর্কিত হতে পারে। স্পিকার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনে পাঠালে তা পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজন হলে শুনানি শেষে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।

নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল থেকে বহিষ্কার করা হলে তাতে নির্বাচন কমিশনের সরাসরি কিছু করার সুযোগ নেই। তবে কোনো সংসদ সদস্য স্বেচ্ছায় দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয়। এ বিষয়ে স্পিকার বা জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক রেফারেন্স এলে সংবিধান ও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কারের বিষয়ে কোনো চিঠি ইসিতে পৌঁছেনি। শুধু দলীয় বহিষ্কারের চিঠির ভিত্তিতে সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া কমিশনের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না।

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যের অযোগ্যতার বিষয়ে স্পিকারের রেফারেন্সের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। তাই নির্বাচন কমিশন স্পিকারের আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের অপেক্ষায় রয়েছে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গাজী নজরুল ইসলামের একটি ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। তদন্তে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে বুধবার জামায়াতে ইসলামী দলীয় গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে এবং বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানানোর সিদ্ধান্ত নেয়।