২০৩০ এর মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা অর্ধেক কমানোর অঙ্গীকার মন্ত্রীর

মঙ্গলবার, জুলা ২৮, ২০২৬

নিজ সংবাদ:

২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা ৫০ শতাংশে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ। স্থানীয় সময় সোমবার (২০ জুলাই) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ ঘোষণা দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মন্ত্রী জানান, এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার আইনি, নীতিগত ও প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। তিনি বলেন, ২০২১–২০৩০ সালের বৈশ্বিক সড়ক নিরাপত্তা কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, দুর্ঘটনার পর দ্রুত জরুরি সেবা নিশ্চিতকরণ এবং পথচারীদের নিরাপত্তা জোরদারে মহাসড়কে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, ‘সেইফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ ও আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চার আলোকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত ও অনুমোদনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

সড়ক নিরাপত্তাকে জাতীয় অগ্রাধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর অংশীদারত্ব এবং সবার সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন। নিরাপদ, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।

জাতিসংঘের এ বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন শেখ রবিউল আলম। প্রতিনিধি দলে রয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ শব্বির হাসান খান। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত সাইড ইভেন্টে যৌথ-সভাপতির দায়িত্বও পালন করবেন মন্ত্রী।