অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের ৫ দফা নির্দেশনা

নোটিশ জালিয়াতি রোধ

বুধবার, জুন ৩, ২০২৬

নিজ সংবাদ:

অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে নোটিশ জালিয়াতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে পাঁচ দফা বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) প্রকাশিত এ নির্দেশনায় বিচারিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন কিছু বাধ্যতামূলক নিয়ম অনুসরণের কথা বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, নোটিশ প্রদানের বিদ্যমান পদ্ধতিতে কিছু ত্রুটি রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকজন ক্লার্ক ও কর্মচারীর যোগসাজশে নোটিশ জালিয়াতির অভিযোগও কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। সম্প্রতি অবকাশকালীন অ্যানেক্স ভবনের ১৪ নম্বর আদালতে একাধিক মামলার মূল আবেদনের টেন্ডার নম্বরের সঙ্গে নোটিশে উল্লেখিত টেন্ডার নম্বরের অমিল ধরা পড়ে। বিষয়টি আদালতের নজরে আনার পর আরও কয়েকটি মামলায় একই ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আদালত একাধিক মামলার তালিকাভুক্ত আইটেম বাতিল করে। একই সঙ্গে দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রে সনাক্তকারী আইনজীবী ও নোটিশে স্বাক্ষরকারী আইনজীবী ভিন্ন হওয়ায় মামলার প্রকৃত আইনজীবী শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, মূল পিটিশনে সনাক্তকারী ও নোটিশে স্বাক্ষরকারী আইনজীবী একই ব্যক্তি হতে হবে। এফিডেভিট সম্পন্নের সাত দিনের মধ্যে নোটিশ জমা দিতে হবে এবং টেন্ডার নম্বর অবশ্যই টাইপ করা থাকতে হবে। এছাড়া মূল আবেদনপত্রের ফটোকপি, ওকালতনামার উভয় পৃষ্ঠার অনুলিপি সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোনো মামলা এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তরিত হলে পূর্ববর্তী নোটিশের কপিও জমা দিতে হবে।

অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস জানিয়েছে, বিচারিক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এই নির্দেশনা আগামী ১৪ জুন থেকে কার্যকর হবে।