আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ভারতের উত্তরাখণ্ডে অনুমোদন ও নির্ধারিত শিক্ষাব্যবস্থার নিয়ম না মানার অভিযোগে মাদরাসার বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত রাজ্যটিতে ২০টি মাদরাসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৭টি সিলগালা করা হয়েছে এবং তিনটির কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য স্টেটসম্যান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেহরাদুন ও হালদাওয়ানিতেও অভিযান বিস্তৃত করেছে প্রশাসন।
রাজ্যের সংখ্যালঘু উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ সচিব পরাগ মধুকর ধাকাতে জানান, নির্ধারিত স্বীকৃতি ও শিক্ষার মানদণ্ড পূরণ না করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সরকারি নিয়ম ও স্বীকৃতির শর্ত পূরণ ছাড়া কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হবে না।
সর্বশেষ অভিযানে দেহরাদুনে তিনটি মাদরাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আজাদ কলোনির মাদরাসা জামিয়া-তুস-সালাম আল-ইসলামিয়াকে সিলগালা করা হয়েছে। একই এলাকার মাদরাসা দার-ই-আরকাম ও মাজরার মাদরাসা দারুল উলুম রহিমিয়ার কর্তৃপক্ষ কার্যক্রম বন্ধের কথা জানিয়েছে।
হালদাওয়ানিতে প্রয়োজনীয় স্বীকৃতির নথি দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় দুটি মাদরাসা সিলগালা করা হয়েছে।
এর আগে জুলাইয়ে উত্তরাখণ্ড সরকার রাজ্যের মাদরাসা বোর্ড বিলুপ্ত করে নতুন কর্তৃপক্ষ গঠন করে। নতুন ব্যবস্থায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ ও স্বীকৃতির পাশাপাশি আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি বলেছেন, শিশুদের শিক্ষার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। নিয়ম না মানা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা চলবে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নতুন কাঠামো চালুর আগে রাজ্যে বোর্ডের স্বীকৃত ৪৫২টি মাদরাসা ছিল।
