ঢাকা অফিস \ সৌদি আরবের কাছে উন্নত রকেট ব্যবস্থা (চৎবপরংরড়হ-এঁরফবফ জড়পশবঃ ঝুংঃবসং) এবং সংশ্লিষ্ট সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির একটি সম্ভাব্য চুক্তি অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। এই চুক্তির আনুমানিক মূল্য ১৯৬ কোটি মার্কিন ডলার। এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, সৌদি আরবের কাছে উন্নত অস্ত্র ব্যবস্থা ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম বিক্রির এই ফরেন মিলিটারি সেলস (ঋগঝ) অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিবৃতি অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ১০ হাজারটি অফাধহপবফ চৎবপরংরড়হ করষষ ডবধঢ়ড়হ ঝুংঃবস (অচকডঝ-ওও)-এর আকাশ থেকে আকাশে (অরৎ-ঃড়-অরৎ) ব্যবহার যোগ্য গাইডেন্স সেকশন কেনার অনুরোধ জানিয়েছে সৌদি আরব। পাশাপাশি আরও ১০ হাজারটি আকাশ থেকে স্থলভাগে (অরৎ-ঃড়-এৎড়ঁহফ) ব্যবহার যোগ্য গাইডেন্স সেকশনও এই চুক্তির অন্তর্ভূক্ত বলে জানা গেছে। আনাদোলু এজেন্সির তথ্য মতে, প্রস্তাবিত বিক্রির আওতায় রয়েছে খঅট-১৩১ অ/অ লঞ্চার, গশ-১৫২ উচ্চ-বিস্ফোরক ওয়ারহেড, গক৬৬ রকেট মোটর, প্রক্সিমিটি ফিউজ, ডঞট-১/ই প্রশিক্ষণ ওয়ারহেড, নিষ্ক্রিয় (ওহবৎঃ) গক৬৬ রকেট মোটর। একই তথ্য প্রকাশ করে মিডল ইস্ট মনিটর জানিয়েছে, উল্লেখিত সামরিক অস্ত্র ছাড়াও এই চুক্তির আওতায় পরীক্ষামূলক সহায়তা সরঞ্জাম, উৎক্ষেপণ ও পরিচালনা সরঞ্জাম, খুচরা যন্ত্রাংশ, মেরামত সামগ্রী, প্রকাশনা ও কারিগরি নথিপত্র, জনবল প্রশিক্ষণ, প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম, সহায়ক যন্ত্রপাতি, পরিবহন, মার্কিন সরকার ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশল, কারিগরি ও লজিস্টিক সহায়তা এবং কর্মসূচি-সংক্রান্ত অন্যান্য লজিস্টিক সুবিধাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান প্রত্যাশিত ফল না দেওয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর আস্থা হারিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ট্রাম্পের এই ব্যর্থতায় ওয়াশিংটন ও রিয়াদের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েনও তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালে ট্রাম্প প্রশাসন ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করেছিল। হরমুজে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক অভিযান নিয়ে আপত্তি তোলে সৌদি আরব। মোহাম্মদ বিন সালমানের আপত্তির মুখে অভিযান শুরুর ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে তা বন্ধ হয়ে যায়। অভিযানের প্রথম দিনই সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয়, যুক্তরাষ্ট্র তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারবে না। কারণ এ ধরনের পদক্ষেপ নতুন করে যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করেছিল রিয়াদ।
