কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পঞ্চম শ্রেনীর এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার এক কিশোরের (১৭) বিরুদ্ধে। গতকাল রবিবার সকালে উপজেলা সদকি ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত কিশোর এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। পুলিশ, পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ধর্ষণের শিকার শিশু বাড়ির পাশে একটি মসজিদে মক্তবে পড়ার জন্য প্রতিদিনের মতোই গিয়েছিলো। পড়া শেষ করে প্রবল বৃষ্টির কারণে মক্তবেই ছিলো শিশুটি। শিশুটির সাথে অভিযুক্ত কিশোরের বোনও মক্তবে পড়ে। মক্তব থেকে বোনকে বাড়িতে রেখে আসে। পরে আবারও মক্তবে গেলে বৃষ্টির হওয়ায় ছাতার মধ্যে করে মক্তবের পাশে একটি জরাজীর্ণ ঘরে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। শিশুটি কান্নাকাটি শুরু করলে রাস্তার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় একজন ব্যাক্তি টের পেলে ঘরে মধ্যে যেয়ে দেখেন শিশুটি কান্নাকাটি করছে। সেসময়ে অভিযুক্ত পালিয়ে যাই। পরে তাকে উদ্ধার করে বিকেলে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করে দায়িত্বরত চিকিৎসক। ধর্ষণের শিকার শিশুটির দাদা জানান, ছোট থেকে নাতনী তার নানা বাড়িতে বড় হয়েছে। সেখানে পড়াশোনা করে, দুপুরে জানতে পারলাম নাতনীকে প্রতিবেশী কিশোর ধর্ষণ করেছে। আমরা বিচারের আশায় থানায় আসছি। মামলা করবো। এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে এজন্য কঠিন শাস্তি চাই রিফাতের। স্থানীয়রা জানান- হাত, পা, মুখ বেধে ধর্ষণ করা হয়েছে। সকালে মসজিদের মক্তবে থেকে অভিযুক্ত তাকে রাস্তার পাশে একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে এই কামডা করেছে। আমরা তার বিচার চাই। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন জানান, অভিযোগ পেয়েছি। মামলা প্রক্রিয়াধীন। আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
