দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়তে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

শনিবার, সেপ্টে ১২, ২০২৬

নিজ সংবাদ:

দূষণমুক্ত নদী এবং পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, নিজেদের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এ জন্য শুধু সরকারি নির্দেশনার অপেক্ষায় না থেকে ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেও প্রত্যেককে ভূমিকা রাখতে হবে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, নাব্যতা ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আয়োজিত পর্যালোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সভায় রাজধানী ঘিরে থাকা নদ-নদীগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি, দূষণের উৎস, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি নদ-নদীর নাব্যতা রক্ষা ও বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন পরিকল্পনার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী এ পর্যন্ত গৃহীত পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, নদী রক্ষা ও পরিবেশের উন্নয়নে পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি সেগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাও জরুরি। এজন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

তারেক রহমান সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের মধ্যে যথাযথ সমন্বয়ের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করার কাজ কোনো একক সংস্থার পক্ষে সফলভাবে করা সম্ভব নয়। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা বিবেচনায় রেখে পরিবেশ সংরক্ষণে নাগরিকদেরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান। নদী ও পরিবেশ রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনসচেতনতা ও ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।