নারীর নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়নে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২৬

নিজ সংবাদ:

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে বলেছেন, সরকার নারীর নিরাপত্তা বিধানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সাইবার বুলিং এবং অনলাইনে নারীর বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৭ মার্চ) গণমাধ্যমে প্রকাশিত বাণীতে তিনি বলেন, “৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বিশ্বের সব নারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করা, উচ্চশিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, মেয়েদের জন্য ফ্রি স্কুল ইউনিফর্ম, ডিজিটাল লার্নিং সুবিধা এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা।”

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিশ্বে জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। তাদের সরকার ও রাজনীতির মূলধারার বাইরে রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয়। বাংলাদেশে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়া যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছেন। শহীদ জিয়ার শাসনামলে ১৯৭৬ সালে নারী বিষয়ক দফতর এবং ১৯৭৮ সালে মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়। বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে এটি ১৯৯৪ সালে ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’-এ রূপান্তরিত হয়।

তারেক রহমান বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন, যা নারীর ক্ষমতায়নে বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত ছিল। একই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে। শিক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও রাজনীতিসহ সর্বস্তরে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।”