হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা

শনিবার, সেপ্টে ১২, ২০২৬

নিজ সংবাদ:

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নতুন পণ্য পরিবহণ নীতির প্রতিবাদে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে। এর ফলে সোমবার (৩১ আগস্ট) হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে।

তবে পানামা হিলি পোর্টের অভ্যন্তরে ট্রাকে পণ্য ওঠানো-নামানো ও ছাড়করণের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। বাংলাহিলি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান জানান, পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য স্থলবন্দরে যেভাবে পণ্য পরিবহণ হচ্ছে, হিলি বন্দরেও একই নিয়ম চালুর দাবি জানিয়েছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে।

আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন দুই দেশের ব্যবসায়ীরা। সীমান্তের ওপারে পণ্যবোঝাই বেশ কিছু ট্রাক আটকা পড়েছে। দীর্ঘ সময় আটকে থাকায় এসব ট্রাকে থাকা পণ্য নষ্ট হয়ে ক্ষতির আশঙ্কাও করছেন ব্যবসায়ীরা।

ভারতীয় ব্যবসায়ী বিকাশ চন্দ্র মণ্ডল জানান, পশ্চিমবঙ্গ সরকার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে ট্রাকপ্রতি ১০ থেকে ১৫ মেট্রিক টন ওজন কমিয়ে নতুন সীমা নির্ধারণ করেছে। বর্তমানে ছয় চাকার ট্রাকে সর্বোচ্চ ২০ টন এবং ১০ চাকার ট্রাকে ৩০ টন পণ্য পরিবহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, পণ্য পরিবহণের পরিমাণ কমে যাওয়ায় একই পরিমাণ পণ্য পাঠাতে অতিরিক্ত ট্রাক প্রয়োজন হবে। এতে পরিবহণ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে এবং ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন। এ কারণেই রোববার থেকে তারা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছেন।