ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় ব্যক্তিদের মাসিক সম্মানি নির্ধারণ

শনিবার, সেপ্টে ১২, ২০২৬

নিজ সংবাদ:

মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানির হার নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন নীতিমালায় প্রধান ও সহকারী ধর্মীয় ব্যক্তি এবং সেবাকর্মীদের জন্য আলাদা হারে সম্মানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিবর্গের জন্য সম্মানী ও কল্যাণ সহায়তা প্রদান নীতিমালা ২০২৬’ শীর্ষক প্রজ্ঞাপন জারি করে।

নীতিমালা অনুযায়ী, তিন ক্যাটাগরিতে সম্মানি দেওয়া হবে। প্রথম ক্যাটাগরিতে রয়েছেন মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ এবং গির্জার যাজক বা পালক। প্রধান ধর্মীয় ব্যক্তি হিসেবে তারা মাসে ৫ হাজার টাকা সম্মানি পাবেন।

দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে মসজিদের মুয়াজ্জিন, মন্দিরের সেবাইত, বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ এবং গির্জার সহকারী যাজক বা পালককে রাখা হয়েছে। সহকারী ধর্মীয় ব্যক্তি হিসেবে তারা মাসে ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।

তৃতীয় ক্যাটাগরিতে থাকা মসজিদের খাদেমদের জন্য মাসিক সম্মানি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার টাকা।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, সম্মানির অর্থ সরাসরি সুবিধাভোগীদের ব্যাংক অথবা মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে পাঠানো হবে। ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে অর্থ পাঠানোর প্রক্রিয়া আইবাস++ ব্যবস্থায় সম্পন্ন হবে।

এ ছাড়া মন্ত্রণালয় নির্বাচিত প্রতিটি উপাসনালয়কে একটি পৃথক পরিচিতি নম্বর দেওয়া হবে। সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সম্মানি কার্যক্রম তদারকি করবেন।

কোনো সম্মানিভোগী দায়িত্ব ছাড়লে বা নতুন ব্যক্তি নিয়োগ পেলে সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপনা কমিটিকে তা জানাতে হবে। যাচাই শেষে ডাটাবেজে তথ্য হালনাগাদ করা হবে।

নীতিমালাটির মাধ্যমে ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি তাদের ভূমিকার প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।