কাজী নজরুল আমাদের জাতীয় চেতনার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

শনিবার, সেপ্টে ১২, ২০২৬

নিজ সংবাদ:

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় চেতনার প্রতীক এবং জাতীয়তাবাদের পথিকৃৎ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের সব আন্দোলন-সংগ্রামে নজরুলের কবিতা ও গান ছিল অনুপ্রেরণার অন্যতম উৎস।

রোববার (২৪ মে) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণীতে তারেক রহমান বলেন, “জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জনগণের পরম প্রিয়জন। তার ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। তাকে স্মরণ করছি অনিঃশেষ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে।”

তিনি বলেন, পরাধীন ও নিপীড়িত জাতির ভাগ্যাকাশে নজরুলের আবির্ভাব ছিল আলোকবর্তিকার মতো। তার লেখনী নিপীড়িত মানুষকে জাগিয়ে তুলেছে এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে শক্তিশালী করেছে।

তারেক রহমান আরও বলেন, “কাজী নজরুল ইসলামের পুরো জীবনটাই ছিল অন্যায়, শোষণ, সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে এক অবিরাম বিদ্রোহ।” মানুষ, মানবতা, স্বাধীনতা ও শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় নজরুলের অবদান অতুলনীয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নজরুল ছিলেন উপমহাদেশের প্রথম কবি ও সাংবাদিকদের একজন, যিনি ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি তুলেছিলেন। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের প্রতি তার গভীর ভালোবাসা ছিল অনন্য।

তিনি আরও বলেন, “আমাদের সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও সংগ্রামের প্রতিটি অধ্যায়ে নজরুলের সৃষ্টিশীলতা মহিমাময় হয়ে আছে। অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি আমাদের প্রধান প্রেরণা।”

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় কবি হয়েও নজরুল সারা বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের আত্মার আত্মীয়। জাতীয় কবির জন্মদিনে দেশকে সুখী, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।