নিজ সংবাদ:
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরিব ও দুস্থ মানুষের জন্য বরাদ্দ ভিজিএফ কার্ড রাজনৈতিক সমঝোতার ভিত্তিতে ভাগাভাগি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) জন্য আলাদা কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
পৌরসভার প্রধান সহকারী আমিনুল ইসলাম ঠান্ডুর কাছ থেকে পাওয়া একটি বণ্টন তালিকায় দেখা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে কালীগঞ্জ পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে মোট ৪ হাজার ৬২৫টি ভিজিএফ কার্ড প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির জন্য ২ হাজার ৮০০টি, জামায়াতের জন্য ১ হাজার ৫০০টি এবং ইউএনওর জন্য ৩২৫টি কার্ড বরাদ্দ দেখানো হয়েছে।
এর আগে রোজার ঈদে বিএনপি ২ হাজার ৮০০টি, জামায়াত ১ হাজার ২০০টি, নির্বাহী প্রকৌশলী ২৫টি এবং গণঅধিকার পরিষদ ৪০টি কার্ড পেয়েছিল বলে জানা গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ঈদের আর মাত্র তিন দিন বাকি থাকলেও এখনো পৌরসভায় ভিজিএফ কার্ড বিতরণ করা হয়নি। এতে গরিব ও দুস্থ মানুষ চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। রোববার (২৪ মে) দুপুরে পৌরসভায় গিয়ে ভিজিএফ কার্ড প্রধান সহকারীর কক্ষে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় আমিনুল ইসলাম ঠান্ডু বলেন, “কার্ড বিতরণ নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে বিরোধ চলছে। এবার জামায়াত বিএনপির সমপরিমাণ কার্ড দাবি করায় জটিলতা তৈরি হয়েছে।”
তবে কালীগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ রাজনৈতিক ভাগাভাগির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “সরকারের এমন কোনো নির্দেশনা নেই। সোমবারের মধ্যে কার্ড বিতরণ করা হবে।”
