নিজ সংবাদ:
আর মাত্র পাঁচ দিন পর শেষ হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বর্তমান কমিটির মেয়াদ। নিয়ম অনুযায়ী মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পরবর্তী নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান প্রস্তুতি নেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের। ফলে সময়মতো ডাকসু নির্বাচন হবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন শঙ্কা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি একাডেমিক ক্যালেন্ডারে ডাকসু নির্বাচন অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এমনকি ক্যালেন্ডারে নির্বাচন যুক্ত করার সিদ্ধান্তও হয়নি। এর সঙ্গে এবারের নির্বাচনের জন্য আলাদা কোনো বাজেটও রাখা হয়নি। ২০২৫ সালের ডাকসু নির্বাচন আয়োজন করতে প্রায় ১ কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল।
তবে বর্তমান ডাকসু নেতারা বলছেন, কোনোভাবেই নির্বাচন পেছানো মেনে নেওয়া হবে না। জিএস এস এম ফরহাদ জানান, ডাকসুর সংবিধান অনুযায়ী তফসিল বিলম্বিত হলে কমিটির মেয়াদ সর্বোচ্চ তিন মাস বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। কিন্তু তারা এক ঘণ্টার জন্যও মেয়াদ বাড়াতে চান না। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর বর্তমান কমিটির দায়িত্ব শেষ করে সেদিনই নতুন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন তারা।
তিনি বলেন, নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চাইলে ঘাটতি বাজেট থেকে ব্যবস্থা করতে পারে। নির্বাচনের বিষয়ে কোনো টালবাহানা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, নির্বাচনের জন্য বাজেট রাখা হয়নি। তবে নির্বাচন হলে ঘাটতি বাজেট থেকেই ব্যয় মেটানো হবে।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, বর্তমান ডাকসু কমিটি ও হল প্রাধ্যক্ষদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। হলগুলোর পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামত নেওয়া হবে।
তবে ঠিক কবে তফসিল ঘোষণা হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সময় জানাতে পারেনি প্রশাসন।
