ব্যবসার আকার নয়, অবদানেই মিলবে সিআইপি মর্যাদা

শনিবার, সেপ্টে ১২, ২০২৬

নিজ সংবাদ:

সরকারের নতুন নীতিমালায় সিআইপি (শিল্প) নির্বাচনে ব্যবসার আকারের চেয়ে উদ্যোক্তার প্রকৃত অর্থনৈতিক অবদানকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। উৎপাদন, বিনিয়োগ, কর-ভ্যাট পরিশোধ, কর্মসংস্থান, রপ্তানি, পরিবেশ সংরক্ষণ ও গবেষণাসহ বিভিন্ন সূচকে ১০০ নম্বরে মূল্যায়ন করে এবার ৫৫ জনকে সিআইপি মর্যাদা দেওয়া হবে।

শিল্প মন্ত্রণালয় ২৩ আগস্ট ‘বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (শিল্প) নির্বাচন নীতিমালা ২০২৬’ গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে। নতুন নীতিমালায় বৃহৎ, মাঝারি, ক্ষুদ্র, মাইক্রো ও কুটির শিল্পের পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর, হাইটেক, লজিস্টিকস ও পর্যটন খাতও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বৃহৎ ও মাঝারি শিল্পে প্রকৃত উৎপাদন, বিনিয়োগ, কর-ভ্যাট, জনবল, মান বজায় রাখা এবং পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দেওয়া হবে। ক্ষুদ্র শিল্পে উৎপাদন ও স্থানীয় কাঁচামালের ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সেবাখাতে বিনিয়োগ, কর-ভ্যাট, লেনদেন ও মুনাফার ভিত্তিতে নম্বর দেওয়া হবে।

সিআইপি মর্যাদাপ্রাপ্তরা এক বছর বিভিন্ন সরকারি সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে সচিবালয়ে প্রবেশের পাস, জাতীয় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ, সরকারি পরিবহনে আসন সংরক্ষণে অগ্রাধিকার, বিদেশ ভ্রমণে ভিসা সহায়তা, সরকারি হাসপাতালে কেবিন এবং বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

তবে ঋণখেলাপি, কর-ভ্যাট বা শুল্ক যথাযথভাবে পরিশোধ না করা ব্যক্তি, ফৌজদারি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এবং শেয়ার কেলেঙ্কারিতে জড়িতরা সিআইপি হতে পারবেন না। মিথ্যা তথ্য দিলে তিন বছর আবেদন করা যাবে না।

প্রতি বছর ১৫ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন নেওয়া হবে। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে চূড়ান্ত নির্বাচন করা হবে।