বস্তুনিষ্ঠতাই গণমাধ্যমের একমাত্র মানদন্ড: তথ্যমন্ত্রী

শনিবার, সেপ্টে ১২, ২০২৬

 

 

ঢাকা অফিস \ বস্তুনিষ্ঠতাই গণমাধ্যমের একমাত্র মানদন্ড, এর বাইরে গণমাধ্যমের আর কোনো মানদন্ড নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগ নিয়ে কাজ করা সাংবাদিকরা অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ। রাষ্ট্রের তিনটি বিভাগের মধ্যে বিচার বিভাগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি ন্যায়বিচারের অভিভাবক। একজন সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে ক্ষমতাবান ব্যক্তি, এমনকি সরকারপ্রধানকেও প্রয়োজন হলে বিচার বিভাগের সামনে হাজির হতে হয়। এটাই বিচার বিভাগের শক্তি ও স্বাধীনতার প্রতীক। তিনি বলেন, আইন ও বিচারবিষয়ক সাংবাদিকদের দায়িত্ব অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাদের প্রতিটি প্রতিবেদন পাঠকের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। তাই প্রতিটি তথ্য অত্যন্ত সতর্কতা, নিরপেক্ষতা ও নির্ভুলতার সঙ্গে উপস্থাপন করা প্রয়োজন। জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমান বিশ্বে তথ্যপ্রবাহ অত্যন্ত দ্রুত। অনেক সময় যাচাই-বাছাই ছাড়া তথ্য ছড়িয়ে পড়ে, যা সমাজে বিভ্রান্তি ও সংঘাত সৃষ্টি করতে পারে। এ কারণে আইন ও বিচারবিষয়ক সাংবাদিকদের দায়িত্ব হলো সত্যতা যাচাই করে দায়িত্বশীলভাবে তথ্য তুলে ধরা। সমাজ ও রাষ্ট্রের স্পর্শকাতর বিষয়ে কাজ করায় জনগণের আস্থাও অনেকাংশে তাদের দায়িত্বশীলতার ওপর নির্ভর করে। তিনি আরও বলেন, দেশ বর্তমানে একটি অন্তর্বর্তীকালীন ও পরিবর্তনশীল সময় অতিক্রম করছে। এটি কোনো স্থির অবস্থা নয়, বরং একটি চলমান প্রক্রিয়া। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল ব্যবস্থায় প্রবেশের ফলে তথ্যপ্রবাহ ও প্রযুক্তির বিস্তার নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি মানেই কাঙ্ক্ষিত সভ্যতার সব অর্জন সম্পন্ন হয়েছে, এমনটি নয়। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিশ্বজুড়ে নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। তাই প্রযুক্তির এই পরিবর্তিত বাস্তবতায় সাংবাদিকতাকেও আরও দায়িত্বশীল, নির্ভুল এবং নৈতিকতার ভিত্তিতে এগিয়ে যেতে হবে।