নিজ সংবাদ:
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। মামলার চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ইতোমধ্যে ১০ জন আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে মামলার বাদী ও ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার সাক্ষ্যের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে ভিকটিমের মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, প্রতিবেশী ও ভবনের কয়েকজন বাসিন্দাসহ মোট ১০ জন সাক্ষ্য দেন। রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী তাদের জেরা করেন।
সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্র জানায়, মামলার সব সাক্ষী আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। সময়ের সুযোগ থাকলে একই দিনে বাকি সাক্ষীদের সাক্ষ্যও গ্রহণ করা হতে পারে।
এদিকে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণের আগে তাদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।
গত সোমবার আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এর আগে তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করলে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরদিন শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার দুই আসামির বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম এখন চলমান রয়েছে।
