নিজ সংবাদ \ কুষ্টিয়া জেলা পরিষদে অসহায়দের মধ্যে চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিলের অর্থ হতে গরীব দুঃস্থ অসহায় মানুষের মাঝে চিকিৎসা ও শিক্ষার জন্য আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন। এতে সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভার:) আব্দুল হাই সিদ্দিকী। গতকাল বুধবার (২৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে চেক বিতরণ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত অসহায়দের হাতে চেক প্রদান করেন অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন। চেক বিতরণকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, দি কুষ্টিয়া চেম্বারের পরিচালক ফুহাদ রেজা ফাহিম, সাংবাদিক নুরুন্নবী বাবু প্রমূখ। এছাড়া সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এসময় অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে এলাকার অসুস্থ, শিক্ষা ব্যবস্থায় অর্থের অভাবে লেখাপড়া করতে পারছে না সে সকল শিক্ষার্থীর সহায়তা, মাদ্রাসা, মসজিদ, গোরস্থান, মন্দিরসহ বিভিন্ন কাজে অনুদান দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, এই অনুদান উপকারভোগীদের জীবনমান উন্নয়ন এবং তাদের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। জনগণের কল্যাণই আমাদের প্রধান অঙ্গীকার। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভার:) আব্দুল হাই সিদ্দিকী বলেন- জেলা পরিষদ থেকে একটা বরাদ্দ থাকে, যেটার মাধ্যমে গরিব, অসহায়, দুস্থ বা বিভিন্ন সামাজিক কাজে একটু সহযোগিতা করতে পারি। সেই জায়গা থেকে জেলা পরিষদের প্রশাসকের নির্দেশে অসহায়দের তালিকা করেছিলাম যাতে সেখানে গরিব অসহায় মানুষ সুবিধা পায়। এর পূর্বেও ১৩ লাখ টাকার মতো অনুদান দেওয়া হয়েছে। গরিব, অসহায় দুস্থ মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে আমাদের সামান্য অবদান এক উন্নয়নের কারিগর হিসেবে দেখতে চাই। অনুদানপ্রাপ্ত এক নারী বলেন, বাচ্চা ও অসুস্থ স্বামী নিয়ে খুব কষ্টে আছি। জেলা পরিষদের মাধ্যমে যে অনুদান পেলাম, এই সহযোগিতা চিকিৎসা কাজে ব্যয় করবো। আরেক ভুক্তভোগী বলেন, আমি ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য আবেদন করেছিলাম। সহায়তা হিসেবে চেক দিয়েছে, টাকাটা উত্তোলন করে চিকিৎসা কাজে ব্যয় করবো। এক পঙ্গু ছেলের মা বলেন, আমার ছেলেকে নিয়ে অনেক দিন অর্থের অভাবে ঔষধ কিনতে পারি না। কুষ্টিয়া জেলা পরিষদে এসে সোহরাব উদ্দিনের কাছে বিষয়টি জানালে তিনি আবেদন করতে বলেন এবং তার হাত থেকে অনুদানের চেক পেয়েছি। আমার দু:সময়ে সোহরাব ভাই অর্থের ব্যবস্থা করায় আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
