জিয়া হত্যাকাণ্ডে নতুন তথ্য

মোজাফফরের ফোন ঘিরে তদন্ত

রবিবার, সেপ্টে ১৩, ২০২৬

নিজ সংবাদ:

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্তে নতুন তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন বিশেষ প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসসহ হত্যাকাণ্ডের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনের পর তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের অনেক অমীমাংসিত রহস্য এবার উন্মোচিত হতে পারে। তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে উঠে এসেছে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেনের ফোন ও যোগাযোগের তথ্য।

গত ১৫ জুলাই রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর প্রায় ৪৫ বছর তিনি পলাতক ছিলেন। ঐতিহাসিক বিভিন্ন বর্ণনা অনুযায়ী, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জিয়াউর রহমান হত্যার সময় তিনি ঘটনাস্থলের কাছাকাছি ছিলেন এবং পরে নথিপত্র তল্লাশি ও মরদেহ সরানোর কাজে অংশ নেন।

জোহা জানান, মোজাফফরের সঙ্গে দেশের ভেতর ও বাইরের কয়েকজনের যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। এত বছর পর কেন তাদের যোগাযোগ, মোজাফফর কীভাবে দেশে ফিরলেন এবং কার পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি ছিলেন—এসব বিষয় তদন্ত করা হচ্ছে। তার ব্যাংক লেনদেন ও ডিজিটাল তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তদন্তে মেজর জেনারেল মঞ্জুরের মৃত্যুর ঘটনাও গুরুত্ব পাচ্ছে। গ্রেপ্তারের পর তাকে পুলিশ হেফাজত থেকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত কে দিয়েছিল এবং কোন আইনে তা করা হয়েছিল, তা জানতে অনুসন্ধান চলছে। একই সঙ্গে জিয়াউর রহমানকে কে গুলি করেছিলেন এবং মঞ্জুর কীভাবে নিহত হন, সেই প্রশ্নেরও উত্তর খোঁজা হচ্ছে।

এ ছাড়া জিয়াউর রহমানের একটি ‘সিক্রেট পেপার’ খোঁজার তথ্য এবং লেফটেন্যান্ট মোসলেহ উদ্দিন, মেজর ফজলুল হক, ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ মো. মুনির ও ক্যাপ্টেন মো. ইলিয়াসের সম্পৃক্ততাও তদন্তের আওতায় রয়েছে।