নিজ সংবাদ:
প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে কূটনীতিকদের সঙ্গে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইফতার–পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ, সংঘাত ও বৈষম্য বন্ধে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর জোর দেন এবং শান্তি–অগ্রাধিকার ভিত্তিক বৈদেশিক নীতিতে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
ইফতারে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) সদস্য রাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, জাতিসংঘ সংস্থার প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর কূটনীতিক এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রার্থীকে সমর্থনকারী দেশগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনানুষ্ঠানিক আড্ডা ও মতবিনিময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, গ্লোবাল সাউথের স্বার্থরক্ষা, জলবায়ু–ঝুঁকি ও অর্থনৈতিক সঙ্কট–পরবর্তী পুনরুদ্ধারসহ বিভিন্ন ইস্যু উঠে আসে বলে জানা গেছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন চান। তিনি বলেন, গ্লোবাল সাউথের কণ্ঠ আরও জোরালো করতে, জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষায় একজন অভিজ্ঞ কূটনীতিক হিসেবে বাংলাদেশের প্রার্থী কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।
ইফতার–পরবর্তী আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বিভিন্ন মুসলিম দেশসহ একাধিক উন্নয়নশীল দেশ বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি নীতিগত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে। সৌদি আরব, পাকিস্তান, তুরস্ক, ফিলিস্তিনসহ কয়েকটি দেশ এরই মধ্যে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক পর্যায়ে সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পেলে বাংলাদেশ শান্তি–অগ্রাধিকার, জলবায়ু–সহনশীলতা, অভিবাসী–শ্রমিকের অধিকার, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা এবং টেকসই উন্নয়ন–অ্যাজেন্ডাকে সামনে রেখে ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখতে পারবে। তিনি কূটনীতিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের পক্ষে সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।